বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে বায়ো ইথানল ও ফুয়েল উৎপাদন শুরু হচ্ছে। সিলেটে এশিয়ার মধ্যে প্রথম এই পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হবে।
এ পদ্ধতিতে বর্জ্য থেকে উৎপাদন করা হবে বায়ো ইথানল ও জেট ফুয়েল। সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ব্যয়ে ইকো ওয়াল্ড ওয়াইড (বিডি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ করবে সিলেট সিটি করপোরেশনে।
ইকো ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের (বিডি) পরিচালক মোশতাক আহমদ বলেন, “ইকো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বায়ু ইথানল আবিষ্কারের মেশিনটি এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম স্থাপন করতে যাচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য সিটি এই মেশিনের মাধ্যমে লাভজনকভাবে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করছে।”
একই সঙ্গে ভারতের বোম্বেতেও মেশিনটি স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলেও উল্লেখ করেন মোশতাক আহমদ।
বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রথমে বর্জ্যকে মেশিনের মাধ্যমে জাত অনুসারে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা হবে। এরপর কঠিন জাতীয় বর্জ্যগুলো যেমন, কাচ, প্লাস্টিক, সিরামিক ইত্যাদি আলাদাভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হবে। অন্যগুলোও পৃথকভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ চলবে। এভাবে ৩টি ধাপে প্রক্রিয়াজাত শেষে বায়ো ইথানল তৈরি হবে।”
তিনি আরো জানান, “এই পদ্ধতি ব্যবহারে কোনো দুর্গন্ধ ছড়াবে না। ফলে পরিবেশ দূষণের কোনো সম্ভাবনা নেই।”
এর সুফল সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রাথমিকভাবে উৎপাদন করা হবে বায়ো ইথানল। পরবর্তীতে উৎপাদন করা হবে মূল্যবান জেট ফুয়েল। ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে জেট ফুয়েল উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ বিমান এবং অন্যান্য এয়ারক্রাফটগুলো এখান থেকে জেট ফুয়েল রিফুয়েলিং করতে পারবে। এতে আয় বাড়বে সরকারের।”
উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে ইকো ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের সিইও এডওয়ার্ড রোয়ার্থ বলেন, “প্রতিদিন ২০০ টন বর্জ্য পাওয়া গেলে বছরে ৪০০ মিলিয়িন লিটার বায়ো ইথানল তৈরি করা সম্ভব হবে।’’
এ পদ্ধতিতে বর্জ্য থেকে উৎপাদন করা হবে বায়ো ইথানল ও জেট ফুয়েল। সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ব্যয়ে ইকো ওয়াল্ড ওয়াইড (বিডি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ করবে সিলেট সিটি করপোরেশনে।
ইকো ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের (বিডি) পরিচালক মোশতাক আহমদ বলেন, “ইকো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বায়ু ইথানল আবিষ্কারের মেশিনটি এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম স্থাপন করতে যাচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য সিটি এই মেশিনের মাধ্যমে লাভজনকভাবে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করছে।”
একই সঙ্গে ভারতের বোম্বেতেও মেশিনটি স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলেও উল্লেখ করেন মোশতাক আহমদ।
বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রথমে বর্জ্যকে মেশিনের মাধ্যমে জাত অনুসারে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা হবে। এরপর কঠিন জাতীয় বর্জ্যগুলো যেমন, কাচ, প্লাস্টিক, সিরামিক ইত্যাদি আলাদাভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হবে। অন্যগুলোও পৃথকভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ চলবে। এভাবে ৩টি ধাপে প্রক্রিয়াজাত শেষে বায়ো ইথানল তৈরি হবে।”
তিনি আরো জানান, “এই পদ্ধতি ব্যবহারে কোনো দুর্গন্ধ ছড়াবে না। ফলে পরিবেশ দূষণের কোনো সম্ভাবনা নেই।”
এর সুফল সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রাথমিকভাবে উৎপাদন করা হবে বায়ো ইথানল। পরবর্তীতে উৎপাদন করা হবে মূল্যবান জেট ফুয়েল। ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে জেট ফুয়েল উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ বিমান এবং অন্যান্য এয়ারক্রাফটগুলো এখান থেকে জেট ফুয়েল রিফুয়েলিং করতে পারবে। এতে আয় বাড়বে সরকারের।”
উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে ইকো ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের সিইও এডওয়ার্ড রোয়ার্থ বলেন, “প্রতিদিন ২০০ টন বর্জ্য পাওয়া গেলে বছরে ৪০০ মিলিয়িন লিটার বায়ো ইথানল তৈরি করা সম্ভব হবে।’’
“চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর সিটি করপোরেশনের বর্তমান ডাম্পিং স্টেশনকে ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য নির্দিষ্ট অংকের টাকার বিনিময়ে ওয়ার্ল্ড ওয়াইডকে লিজ দেওয়া হবে। এরপর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এ কাজের জন্য সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ করবে। এতে সিটি করপোরেশনের কোনো ব্যয় বাড়বে না।”
এ কার্যক্রমে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নগর উন্নয়ন পরিকল্পনাবিদদেরও সম্পৃক্ত করা হবে বলে জানান মেয়র।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড (বিডি) আরো জানায়, এ কার্যক্রম শুরু হলে দেড় থেকে দুই হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড (বিডি) আরো জানায়, এ কার্যক্রম শুরু হলে দেড় থেকে দুই হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে
No comments:
Post a Comment