মূলধন: ১২ বোতল গোলাপ জল তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে আনুমানিক ৫২০-৬৮৫ টাকার প্রয়োজন হবে।
সাধারণত দু’ভাবে গোলাপজল তৈরি করা হয়: 1= প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে, 2= কৃত্রিম উপায়ে,
* প্রাকৃতিক গোলাপ জল তৈরির নিয়ম:
প্রাকৃতিক গোলাপ জল প্রকৃতিতে পাওয়া উপাদান দিয়েই তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা করতে হবে তা হলো-
১. সদ্য ফোটা গোলাপ ফুল নিয়ে পাপড়িগুলোকে আলাদা করতে হবে।
২. পাপড়িগুলো পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে এমনভাবে ধুয়ে নিতে হবে যাতে কোনও ময়লা না থাকে।
৩. পাপড়িগুলোকে বড় মাটির পাত্রে রেখে তাতে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি ঢেলে পাত্রটি সাত-আট দিন সূর্যের আলোয় রেখে দিতে হবে
৪. প্রথম তিন চার দিন পাত্রের ভেতরে কিছুই দেখা যাবে না; তবে চতুর্থ বা পঞ্চম দিনে পানির উপর এক ধরণের তেলের মতো দ্রব্য ভাসমান অবস্থায় দেখা যাবে
৫. আরও দুই দিন রাখলে দেখা যাবে তেলের মতো দ্রব্য ফেনাযুক্ত হয়ে পানির উপরে ভাসছে।
৬. পরিষ্কার তুলো দিয়ে সাবধানে ফেনাগুলো তুলে ফেলার পর অবশিষ্ট পানিটাই হচ্ছে গোলাপ জল।
৭. যদি ওই গোলাপ জলে আবার গোলাপ পাপড়ি ভিজিয়ে রাখা হয় তাহলে ওই পানিতে আবার ফেনা তৈরি হবে। ফেনাগুলো তুলে নেওয়ার পর অবশিষ্ট পানিটি উৎকৃষ্ট ও ভালো গোলাপ জল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
৮. গোলাপ জলের স্বাদ তিক্ত হয়। তাই গোলাপজল তৈরি হয়েছে কি না তা মুখে দিলেই বুঝা যাবে।
*কৃত্রিম গোলাপ জল তৈরির নিয়ম :
প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও কৃত্রিম উপায়ে গোলাপ জল তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা করতে হবে-
1. প্রথমে কাঁচের পাত্রে অটো ডি রোজ এর সঙ্গে ম্যাগনেসিয়া দিয়ে ভালোভাবে নাড়াতে হবে। এই পদার্থ দুটি ভালোভাবে মেশানোর পর তাতে পরিমাণ মতো চোয়ান জল ঢেলে দিতে হবে। এর পর পাত্রটি তিন চারদিন ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
2. কৃত্রিম গোলাপ জল তৈরির জন্য বৃষ্টির পানিই ভালো। কিন্তু বৃষ্টির পানি না পাওয়া গেলে চোয়ান জল ব্যবহার করতে হবে।
3. চোয়ান জল তৈরির জন্য প্রয়োজন বক যন্ত্রের। একটি পাত্রে পানি ঢেলে তার মুখ ভালো করে বন্ধ করে শুধুমাত্র একটি নল বসিয়ে দিতে হবে। নলটি লম্বায় দশ বা বারো হাত লম্বা হলে ভালো হয়। নলটির শেষে একটি বোতল রাখতে হবে এবং নলটি ঠান্ডা পানি অথবা বরফ পানির মধ্যে দিয়ে আনতে হবে।
4. এখন পানি ভর্তি পাত্রটির নীচে জ্বাল দিতে হবে।
5. তাপে পানি ফুটতে শুরু করলে এর থেকে এক ধরণের বাষ্প বের হবে। সেই বাষ্প নলের ভেতর দিয়ে যাবার সময় ঠান্ডা পানি অথবা বরফ পানির স্পর্শ পাওয়ার পর আবার তরলে পরিণত হবে এবং নলের মুখে যে বোতল থাকবে তাতে গিয়ে পড়বে। এই পানিকেই চোয়ান জল বলে।
6. তিন/চার দিন পর মিশ্রণ ফিল্টার পেপারে ছেঁকে নিলে খুব ভালো গোলাপ জল পাওয়া যাবে।
7. এই গোলাপ জলের স্বাদও তিক্ত এবং গন্ধ খুব সুন্দর হবে। কিন্তু গোলাপ ফুল থেকে তৈরি গোলাপ জলের গন্ধ বেশি মিষ্টি হবে।
• সাবধানতা
1. গোলাপ ফুল বাছাই করার সময় টাটকা ফুল সংগ্রহ করতে হবে।
2. সুগন্ধীর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ, পরিমাণ, মূল্য ও প্রাপ্তিস্থান
|
উপকরণ
|
পরিমাণ
|
আনুমানিক মূল্য (টাকা)
|
প্রাপ্তিস্থান
|
|
গোলাপ ফুল
|
পরিমাণ মতো
|
২০০-৩০০
|
ফুলের দোকান
|
|
মাটির বড়
পাত্র
|
১টি
|
৫০-৬০
|
মাটির জিনিসপত্রের দোকান
|
|
তুলা
|
১
প্যাকেট
|
১০-১৫
|
মুদি
দোকান
|
|
অটো
ডি
রোজ
|
পরিমাণ মতো
|
১০০-১২০
|
ক্যামিকেলস্-এর
দোকান
|
|
ম্যাগনেসিয়া
|
পরিমাণ মতো
|
১০০-১২০
|
ক্যামিকেলস্-এর
দোকান
|
|
প্লাস্টিক বোতল
|
১২টি
|
৬০-৭০
|
মুদি
দোকান
|
|
মোট খরচ=৫২০-৬৮৫ টাকা
|
|||
সাধারণত দু’ভাবে গোলাপজল তৈরি করা হয়: 1= প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে, 2= কৃত্রিম উপায়ে,
* প্রাকৃতিক গোলাপ জল তৈরির নিয়ম:
প্রাকৃতিক গোলাপ জল প্রকৃতিতে পাওয়া উপাদান দিয়েই তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা করতে হবে তা হলো-
১. সদ্য ফোটা গোলাপ ফুল নিয়ে পাপড়িগুলোকে আলাদা করতে হবে।
২. পাপড়িগুলো পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে এমনভাবে ধুয়ে নিতে হবে যাতে কোনও ময়লা না থাকে।
৩. পাপড়িগুলোকে বড় মাটির পাত্রে রেখে তাতে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি ঢেলে পাত্রটি সাত-আট দিন সূর্যের আলোয় রেখে দিতে হবে
৪. প্রথম তিন চার দিন পাত্রের ভেতরে কিছুই দেখা যাবে না; তবে চতুর্থ বা পঞ্চম দিনে পানির উপর এক ধরণের তেলের মতো দ্রব্য ভাসমান অবস্থায় দেখা যাবে
৫. আরও দুই দিন রাখলে দেখা যাবে তেলের মতো দ্রব্য ফেনাযুক্ত হয়ে পানির উপরে ভাসছে।
৬. পরিষ্কার তুলো দিয়ে সাবধানে ফেনাগুলো তুলে ফেলার পর অবশিষ্ট পানিটাই হচ্ছে গোলাপ জল।
৭. যদি ওই গোলাপ জলে আবার গোলাপ পাপড়ি ভিজিয়ে রাখা হয় তাহলে ওই পানিতে আবার ফেনা তৈরি হবে। ফেনাগুলো তুলে নেওয়ার পর অবশিষ্ট পানিটি উৎকৃষ্ট ও ভালো গোলাপ জল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
৮. গোলাপ জলের স্বাদ তিক্ত হয়। তাই গোলাপজল তৈরি হয়েছে কি না তা মুখে দিলেই বুঝা যাবে।
*কৃত্রিম গোলাপ জল তৈরির নিয়ম :
প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও কৃত্রিম উপায়ে গোলাপ জল তৈরি করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা করতে হবে-
1. প্রথমে কাঁচের পাত্রে অটো ডি রোজ এর সঙ্গে ম্যাগনেসিয়া দিয়ে ভালোভাবে নাড়াতে হবে। এই পদার্থ দুটি ভালোভাবে মেশানোর পর তাতে পরিমাণ মতো চোয়ান জল ঢেলে দিতে হবে। এর পর পাত্রটি তিন চারদিন ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
2. কৃত্রিম গোলাপ জল তৈরির জন্য বৃষ্টির পানিই ভালো। কিন্তু বৃষ্টির পানি না পাওয়া গেলে চোয়ান জল ব্যবহার করতে হবে।
3. চোয়ান জল তৈরির জন্য প্রয়োজন বক যন্ত্রের। একটি পাত্রে পানি ঢেলে তার মুখ ভালো করে বন্ধ করে শুধুমাত্র একটি নল বসিয়ে দিতে হবে। নলটি লম্বায় দশ বা বারো হাত লম্বা হলে ভালো হয়। নলটির শেষে একটি বোতল রাখতে হবে এবং নলটি ঠান্ডা পানি অথবা বরফ পানির মধ্যে দিয়ে আনতে হবে।
4. এখন পানি ভর্তি পাত্রটির নীচে জ্বাল দিতে হবে।
5. তাপে পানি ফুটতে শুরু করলে এর থেকে এক ধরণের বাষ্প বের হবে। সেই বাষ্প নলের ভেতর দিয়ে যাবার সময় ঠান্ডা পানি অথবা বরফ পানির স্পর্শ পাওয়ার পর আবার তরলে পরিণত হবে এবং নলের মুখে যে বোতল থাকবে তাতে গিয়ে পড়বে। এই পানিকেই চোয়ান জল বলে।
6. তিন/চার দিন পর মিশ্রণ ফিল্টার পেপারে ছেঁকে নিলে খুব ভালো গোলাপ জল পাওয়া যাবে।
7. এই গোলাপ জলের স্বাদও তিক্ত এবং গন্ধ খুব সুন্দর হবে। কিন্তু গোলাপ ফুল থেকে তৈরি গোলাপ জলের গন্ধ বেশি মিষ্টি হবে।
• সাবধানতা
1. গোলাপ ফুল বাছাই করার সময় টাটকা ফুল সংগ্রহ করতে হবে।
2. সুগন্ধীর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।



No comments:
Post a Comment